পুর নিগম এলাকা বৃদ্ধি : জনগণের দুর্ভোগ বৃদ্ধি

। হাবেলী ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ২৪ এপ্রিল ।

আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতি বছর নির্বাচনে আগে পুর নিগম, পুর পরিষদ, নগর পঞ্চায়েত এলাকার সীমানা বৃদ্ধি করা হচ্ছে শাসকদল। বর্ধিত এলাকায় উন্নয়ন নামে আশানুরূপ ভাবে কিছুই উন্নয়ন হচ্ছে না বলে অভিযোগ। কিন্তু পুর নিগম কর্তৃপক্ষ আয় বৃদ্ধির পথ সুগম হয়েছে। নতুন এলাকায় বসবাসকারী জনগণের বাড়ছে চরম দুর্ভোগ । নিগম কর্তৃপক্ষ কর আদায় সাথে সাথে পরিষেবা দিতে পারছে না। বাড়ছে জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ।
বামফ্রন্ট আমল থেকে ধাপে ধাপে আগরতলা পুর নিগম এলাকার পরিধি বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী দিনে আর ও বৃদ্ধি পাবে।গ্ৰাম পঞ্চায়েত এলাকায় থাকার সময় বাড়িঘর নির্মাণ করতে কোনো ধরনের অসুবিধায় পড়তে হয় নি।পুর নিগম এলাকার অন্তর্ভূক্ত হবার পর বাড়ি নির্মাণ করতে গিয়ে নাগরিকদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় । পঞ্চায়েতে থাকার সময় ফসলের জমিতে বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। অনেক পরিবার বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছে।এখন পুর নিগম এখন নতুন করে বাড়ি নির্মাণ করার প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। তখন পরিবার গুলো পড়েছে প্রচন্ডভাবে সমস্যায়।
পুর নিগম এলাকার অন্তর্ভূক্ত হবার পর জমির শ্রেণীর পরিবর্তন করতে হবে। ফসলের জমিতে পাকাবাড়ি তৈরি করা যাবে না। জমির শ্রেণী পরিবর্তন করতে হবে।নাল জমি কে পরিবর্তন করে বাস্তূ ভিটিতে রূপান্তরিত করতে হবে। পঞ্চায়েত এ থাকার সময় ফসলের জমিকে বাড়ি তৈরি করার উপযোগী করে বসত বাড়ি তৈরি করা হয়েছে। তখন এই জমিতে বাড়ি তৈরি করার জন্য জমি কে বাস্তুতে রূপান্তরিত করা হয় নি। এখন বসতজমির ভিটি পরিবর্তন করে বাস্তুভিটা করতে নাগরিকদের (ফাইন) জরিমানা মোটা অংকের অর্থ দিতে বাধ্য করা হয়। যেহেতু জমি র ধরন পরিবর্তন না করে বাড়ি তৈরি করা হয়েছে।। এখন ফাইন দেবার পর ও জমির শ্রেনী পরিবর্তন করতে ও বিভিন্ন অজুহাতের সন্মুখে পড়তে হয় বলে অভিযোগ। তারপরও সময়মতো জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে দেয়া হচ্ছে না।ফলে এই বার জমির মালিক দীর্ঘ সময় পর‌ও বাস্তুভিটায় রূপান্তর করতে পারে না। বেনামে প্রতি টেবিলে উৎকোচ দিতে হবে। নয়তো আপনার ফাইল কিছুতেই টেবিল থেকে নড়াচড়া করতে রাজি নয়। এই ধরনের হয়রানি পরিপ্রেক্ষিতে শহরের নাগরিকদের মধ্যে তীব্র চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। নাগরিকদের দাবি নতুন পুর নিগম এলাকার অন্তর্ভূক্ত নাগরিকদের জমির শ্রেণী পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় ব্যবস্থা করা হোক। তাতে করে বহু সাধারণ পরিবার গুলো নতুন বাড়ি তৈরি করতে সুযোগ পাবে। নয়তো অনেক পরিবার জমির শ্রেণী পরিবর্তন করতে না পারার কারণে নতুন বাড়ি তৈরি করতে পারছে না।ফলে পরিবারের লোকজনদের নিয়ে চলতে গিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *