নতুন প্রজন্ম হাতে ত্রিপুরা দায়িত্ব: সামনে ভিলেজ কমিটি নির্বাচনে কঠিন পরীক্ষা মুখে সভাপতি অভিষেক

। হাবেলী ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ৩০ মে ।

বহু জল্পনা কল্পনার পর বি জে পি ত্রিপুরা রাজ্য সভাপতি পদে বিধায়ক অভিষেক দেবরায় নাম কেন্দ্রীয় সভাপতি নীতিন নবীন ঘোষণা করেছেন।
দীর্ঘ প্রায় দুই বছর যাবৎ রাজ্য সভাপতি পদে বিধায়ী সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য স্থলাভিষিক্ত করা হবে। তাই নিয়ে চলছিল বিভিন্ন ধরনের শলা পরামর্শ। সভাপতি পদে দায়িত্ব পাবার আশায় রাজ্য কমিটির মধ্যে বিভিন্ন গোষ্ঠী কোন্দলের প্রভাব বিস্তার করেছে। নতুন সভাপতি নাম ঘোষণা করার সাথে সাথে সেই গোষ্ঠী কোন্দল থেমে যাবে।তা যারা ভাবছেন তা একেবারেই ভুল। অভিষেক দেবরায় মাধ্যমে এখন নতুন পুরাতন মিলে আরো একটি গোষ্ঠী জন্ম গতকাল থেকে আনাগোনা শুরু হয়েছে।
বর্তমান বি জে পি রাজ্য কমিটি সহ সর্বত্রই যারা রয়েছেন তারা প্রকৃত বি জে পি ধাচে তৈরি নয়। এদের অধিকাংশই ২০১৮ সালের পর বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেস দল ত্যাগ করে বি জে পি তে আসে। তাদের প্রত্যেকের পুরাতন অভ্যাস রয়েছে বলে অনেকে ধারণা।তা এখনও অনেকে ত্যাগ করতে পারে নি। এবং পারার কথা ও নয়।নতুন সভাপতি আজ বা কালকে মধ্যে সভাপতি পদে দায়িত্ব ভার গ্ৰহন করবেন।বিধায়ী সভাপতি তথা রাজ্য সভার সংসদ রাজীব ভট্টাচার্য একথা বলেছেন।
শ্রীদেবরায় নীচুতলা থেকে সংগঠনের কাজ করতে করতে আজকের এই পদে এসে দায়িত্ব পেয়েছেন।যার কারণে ওর সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন।এখন দেখার বর্তমান রাজ্য কমিটি কতজনকে নতুন কমিটিতে জায়গা দেন। নাকি শ্রীদেবরায় নিজের মতো করে নতুন রাজ্য কমিটি গঠন করেন।এখন সকলের নজর সেই দিকে রয়েছে। আগামী কিছু দিনের মধ্যেই নতুন রাজ্য কমিটি গঠন করা হবে বলে অনেকের অভিমত।
নতুন সভাপতি দায়িত্ব নেবার সাথে সাথে এ ডি সিতে ভিলেজ কমিটি নির্বাচন চলে আসবে। ভিলেজ কমিটি নির্বাচন এ বি জে পি কেমন ফল করতে পারে সেই দিকে সকলের নজর। যদি ওএ ডি সিতে ক্ষমতায় রয়েছে তিপ্রা মথা দল।অপরদিকে এই দল রাজ্য সরকার সাথে শরিক হিসেবে মন্ত্রী সভায় রয়েছে।
দুর্গা পূজার পর বিভিন্ন পুর নিগম,পুর পরিষদ এলাকায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই সব নির্বাচনে বি জে পি ভালো ফল করবে বলে অনেকের অভিমত।
আগামী আর ১৭-১৯ মাস পর রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচন অভিষেক দেবরায় নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হবে। সেই খানে দলকে পুনরায় রাজ্যের ক্ষমতায় ফিরে আনাই হবে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ।
গোষ্ঠী কোন্দলের মধ্যে দলকে সুসংগঠিত করে কতটুকু এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে তা সময়েই বলবে। এখন সকলের নজর সেই দিকে রয়েছে।
বর্তমান সময়ে মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার অধ্যাপক মানিক সাহা সাথে সুসম্পর্ক বজায় রয়েছে। সভাপতি দায়িত্ব পালনের সাথে সাথে মুখ্যমন্ত্রী শ্রীসাহা সাথে সমতা বজায় থাকে কিনা তা ও সময়ে বলবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *