। হাবেলী ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ২১ এপ্রিল ।
দলীয় কর্মীদের বাড়ি ঘরে নির্বাচনী হামলা হুজতী অব্যাহত।মার ধর শিকার কর্মী সমর্থক। আত্মরক্ষা করতে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা এখন পর্যন্ত নেয়া হয়েছে বলে কোন সংবাদ নেই। একমাত্র উদয়পুর এলাকায় বিধায়কের গাড়ীতে হামলা পরিপ্রেক্ষিতে তিন জনকে পুলিশ আটক করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনী সন্ত্রাস কার্যক্রম সাথে যুক্তদের কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার সংবাদ নেই।
রাজ্যের শাসকদল বি জে পি। রাজ্য সরকার পরিচালিত হচ্ছে ঐক্যবদ্ধ ভাবে। জোট সরকারের শরিক দল এ ডি সিতে পৃথকভাবে নির্বাচনে লড়াই করে বিপুল সংখ্যক আসন নিয়ে ক্ষমতায় আসে। তারপর থেকেই বড়শরিক দল বি জে পি কর্মী সমর্থকদের উপর সন্ত্রাস শুরু হয়েছে।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার অধ্যাপক মানিক সাহা নির্বাচনী সন্ত্রাস প্রতিরোধে পুলিশ কে কঠোর পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ জারি করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দেওয়ার পর ও বিভিন্ন জায়গায় সন্ত্রাস অব্যাহত রয়েছে। এই থেকে অনুমান করা হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ কোন অজ্ঞাত কারণে সর্বত্র কার্যকর হচ্ছে না। নয়তো এই সন্ত্রাস অল্প সময়ের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা সম্ভব বলে অনেকের ধারণা।
রাজনৈতিক সন্ত্রাস শিকার হবার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তা করার ঘোষণা করেছেন।
অপরদিকে বি জে পি রাজ্য রাজীব ভট্টাচার্য বলছেন অন্য কথা।আর রাজ্য দলের আই টি সেলের পক্ষে বলা হয়েছে ধর্মীয় বিভাজন থেকে এই বিভেদের কারণে নির্বাচন সন্ত্রাসের সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্যস্তরের নেতৃবৃন্দ একসুরে কথা না বলার পেছনে কারণে দলের কর্মী সমর্থকদের মনোবলে চিড় ধরে। সেই চির পরবর্তী সময়ে মিটিয়ে তোলা বড় কঠিন হয়ে পড়ে। দলের মধ্যে অনৈক্য বিরাজ করছে তা আবার ও জনগণের কাছে প্রকাশ্যে চলে গেছে।যার কারণে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে আগে পাহাড়ের সংগঠন সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে আবার আঘাত পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
যারা নির্বাচনী সন্ত্রাসে কারণে বাড়িঘর ছেড়ে এসেছে। ওরা আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই বাড়িতে ফিরে যাবে। কিন্তু তাদের অধিকাংশই বি জে পি ছেড়ে মথা দলের কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হবে। কেন না শাসকদল বি জে পি তাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে এই অভিযোগ তুলে দলের কাছ থেকে হাত গুটিয়ে নিজেকে সরিয়ে নিবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আগে নির্বাচনী সন্ত্রাসের শিকার সমতলের জনগন হয়েছে। কিন্তু এখন পাহাড়ের জনগণের মধ্যে ও এই ব্যধি পৌঁছে গেছে। তাই এই ব্যাধি দমন করতে রাজ্য সরকার কে আরো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে বলে মনে করেন অভিজ্ঞ মহল।

