রাজ্যের জনজাতিদের ঊন্নয়নে বহুমুখী কাজ অব্যাহত: মুখ্যমন্ত্রী

। হাবেলী ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা।২৮ জানুয়ারি।

রাজ্যের জনজাতিদের ঊন্নয়নে বহুমুখী কাজ কর্ম অব্যাহত রয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা।
রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে রাজ্য ভিত্তিক জনজাতি লোক নৃত্য প্রতিযোগীতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা একথা বলেন।
তিনি আরো বলেন রাজ্যে ২০১৮ সালে আগে ৪ টি একলব্য স্কুল ছিল।
আর ২০১৮ -২৩ মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে রাজ্যে আরও ১৭ টি নতুন একলব্য মডেল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে। তাতে করে ৮১৬০ জন জনজাতি ছেলে মেয়ে পড়াশোনা করার সুযোগ পাবে।
তিনি আরো বলেন কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যের জনজাতিদের ঊন্নয়নে স্পেশাল ইকোনমিক ডেভলেপ্টমেন্ট প্যাকেজ ফর ট্রাইবেল ডেভলেপ্টমেন্ট ইন ত্রিপুরা আন্ডার এন এল এফ টি সারেন্ডার প্রকল্পে ১০০ কোটি টাকার অনুমোদন দিয়েছে। বেকারদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে রাজ্য সরকার ২০২১-২২ সালে মুখ্যমন্ত্রী রাবার মিশন প্রকল্প চালু করা হয়।
এছাড়া শিক্ষার উন্নয়নে জনজাতি ছেলে মেয়ে পড়াশোনা জন্য কিন্ডার গার্ডেন থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া মান বাড়াতে সাপ্লিমেন্টারি এডুকেশন ফর এলিমেন্টারি ক্লাসেস নামে প্রকল্প চালু করা হয়েছে।এর মধ্যে দিয়ে ৪১৩ টি কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে ১০ হাজার ১৩৮ জন কে কোচিং দেয়া হয়।
তিনি আরো বলেন ত্রিপুরা উপজাতি এলাকা স্বশাসিত জেলা পরিষদের নাম পরিবর্তন করে তিপ্রা টেরিটোরিয়েল কাউন্সিল করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।আসন সংখ্যা ২৮ থেকে বাড়িয়ে ৫০ টি করার ও প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
শিক্ষা,স্বাস্থ্য,যোগাযোগ সহ অন্যান্য বিষয় ঊন্নয়নে জনজাতি অধ্যুষিত ১২ টি ব্লকে এসপিরেশন ব্লক হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে।ব্রু রিয়াং শরণার্থী দের দীর্ঘ দিনের সমস্যা সমাধান করা হয়েছে।এখন পর্যন্ত পদ্মশ্রী পুরস্কার পেয়েছে ২০১৯ সালে রসেম শিল্পী থাঙ্গা ডারলং।২০২০ সালে বেণীচন্দ্র জমাতিয়া।২০২১ সালে সত্যরাম জমাতিয়া।২০২৩ সালে এন সি দেবর্বমা মরণোত্তর ও বিক্রম বাহাদুর জমাতিয়া।২০২৪ সালে চিত্ত মহারাজ এবং স্মৃতি কনা চাকমা।