প্রচন্ড ঠান্ডা ও কুয়াশায় জনজীবন বিপর্যস্ত

।। হাবেলী ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা। ১৪ জানুয়ারি। রাজ্যে এক সপ্তাহ নাগাদ প্রচন্ড ঠান্ডা ও কুয়াশায় জনজীবন বিপর্যস্ত। মানুষ জবুথবু।হাট বাজার,ব্যবসায়ী – ক্রেতা, বিক্রেতা, চাষী, শ্রমিক,খেটে খাওয়া মানুষ, সব স্তরের মানুষ অতিরিক্ত ঠান্ডা ও কুয়াশায় কাজকর্ম স্তব্দ হয়ে গেছে।
শীত কালীন সব্জি চাষী ও বোরো ধানচাষীগন পড়ছেন চরম বিপাকে।শীত কালীন সব্জি খুব ভোরে জমি থেকে তুলতে হয়। কুয়াশা ও কনকনে শীতের কারণে সবজিচাষীগন জমি থেকে তুলতে পারছে না। বীজতলা থেকে বোরো ধানের চারা তুলে রোপণ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছে। কুয়াশা ও শীতের কারণে জলাজমিতে কাজ করতে রাজি হয় না।যারা কাজ করছেন এরা অসুস্থ হয়ে পড়ে।যার কারণে বোরো ধানের চারা রোপণ করতে অসুবিধায় পড়ছেন।সময় মত রোপন করতে না পারে তাহলে পরবর্তী সময়ে বর্ষা এগিয়ে আসবে। তখন নীচুতলার জমিতে বৃষ্টি জল জমে যাবে।জল জমে যায়।তাহলে বোরো ধানের খতি হবে।মেলাঘর সহ বিশালগড় এলাকায় নীচুতলার জমিতে বোরো ধানের চারা রোপণ কাজ চলছে।
এদিকে প্রচন্ড কুয়াশা কারণে আলু গাছে ধষা রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে।ধষা রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় তাহলে আলু ফলন ভালো হবে না। রোগের কবলে
পড়ে আলু ফলনের আগে গাছে পচন রোগ দেখা দিতে পারে। তাহলে আলু চাষীর মাথায় বাজ পড়বে।যারা ব্যাঙ্ক ঋণ নিয়ে আলু চাষ করেছেন। এদের রাতে ঘুম নেই।আলু চাষ ক্ষতি হলে ঋনের অর্থ ফেরত দিতে পারবে না।
সবজি চাষি ভোরে ভোরে জমি থেকে সবজি তুলে না পারায় সমস্যায় পড়ছে। সময়ের মধ্যে সবজি তুলতে না পারলে সেই সবজি বাজারে বিক্রি করতে অসুবিধা হয়।
চাবাগান শ্রমিক দের ভোরে কাজে যেতে হয়। কুয়াশা ও কনকনে শীতের কারণে এরা সময় মত কাজ যোগ দিতে পারে না। কাজে যোগ দেয়ার পর সময় মত কাজ করতে পারে না।
এদিকে আবহাওয়া অফিস থেকে জানানো হয়েছে আজ ও রাজ্য ব্যাপী কুয়াশা ও কনকনে শীতের প্রভাব অব্যাহত থাকবে।