পুনরায় অকাল বর্ষণে রাজ্যুজুড়ে চাষের ব্যাপক ক্ষতি

। হাবেলী ডিজিটাল ডেস্ক। আগরতলা।৭ ডিসেম্বর। আজ দিনভর অকাল বর্ষণ রাজ্যজুড়ে। ফসলের ব্যাপক ক্ষতি। চাষীদের মাথায় হাত।

সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের সরাসরি প্রভাব রাজ্যে না পড়লেও ঘূর্ণাবর্তের জেরে রাজ্যে বৃষ্টি পাত গতকাল ভোর রাত থেকে শুরু হয়েছে। এখন ও বৃষ্টি চলছে। কখনও জির জির বৃষ্টি পড়ছে। কখনো ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বাতাসের প্রভাব কম। এখনও আকাশ মেঘাচ্ছন্ন অন্ধকার হয়ে আছে। আবহাওয়া অফিস থেকে জানানো হয়েছে বৃষ্টিপাত আরও বাড়বে।
আগামী কাল পর্যন্ত বৃষ্টি পাত কেমন থাকবে। সেই সম্পর্কে আবহাওয়া অফিস এখনও কিছু আভাস দেয় নি।
অকাল বৃষ্টি পাতের কবলে পড়ে আমন ধান চাষীদের মাথায় ব্রজাঘাত।এখন আমন ধান পেকে জমিতে রয়েছে।ধান কেটে ঘরে তোলার কাজে চাষী ব্যস্ত। খাওয়া দাওয়া করার সময় নেই।
ঘরে বাইরে পাকা ধান পড়ে আছে। কোথাও ধান কেটে বাড়িতে নিয়ে এসে মাড়াই দেয়ার কাজ চলছে। কোথাও ধান সিদ্ধ করে শুকিয়ে ঘরে গোলায় তোলার সময় চলছিল।
এই সময়ে পুনরায় অকাল বৃষ্টি ধানের ব্যাপক ক্ষতি করেছে।গত পক্ষকাল আগে একবার বৃষ্টি হয়। সেই বৃষ্টির কারণে চাষবাসের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। নীচুতলার ধানের জমিতে এখন ও জল জমে আছে। সেই জল এখনো কমেনি।শুকায় ও নি।
আজকে বৃষ্টির জল পুনরায় জমে পাকা ধানের বিশাল ক্ষতি হবে। জমিতে পাকা ধানের চারা বেরিয়ে আসবে।ধানের চারা বেরিয়ে আসে তাহলে সেই ধান কেটে ঘরে তোলা অসুবিধা হবে। এই ধান বিক্রি করতে অসুবিধা হবে। এই ধান থেকে ভালো চাউল হবে না।
অনেক কে ধান কেটে জমিতে ফেলে রেখেছে। সেই ধানের ও ক্ষতি হবে।
অপরদিকে শীতকালীন সবজি চাষ ও ক্ষতি হবে। এই বৃষ্টির কারণে চাষী সময় মত শীতকালীন আলুসহ বিভিন্ন সবজি বীজ বুনতে পারে নি।
পক্ষকাল আগে বৃষ্টির কারণে আলু চাষে বিশাল ক্ষতি হয়েছে।আলু জমি তে জল জমে গেছে। নয়তো জমি মাটি ভিজে গেছে।ফলে গাছে জল জমে আলু এবং গাছের পচন ধরেছে।
এখন যারা আলু চাষ করার ঊদ্যোগ নিয়ে জমি তৈরি করেছেন। এদের জমিতে এখন আলু চাষ করা যাবে না।জমি শুকানো পর জমি তৈরি করে আলু চাষ করতে হবে। এক্ষেত্রে আলুর ফলন আসতে অনেক সময় লাগবে।
অন্য দিকে শীত কালীন শাক সবজি চাষে ব্যাপক ক্ষতি হবে এই বৃষ্টির কারণে। আগামী দিনে বাজারে সবজির আকাশ ছোঁয়া দাম হবে।তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। লাউ,কুমোড়,সিম,ফুল কপি এবং বাঁধাকপি, টমেটোতে পোকার আক্রমণ দেখা দিবে।
নানান রকম সমস্যা থেকে সবজি চাষীদের বাঁচানো সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন অভিজ্ঞ চাষীগন।